সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা থানা পুলিশের চেকপোস্ট পরিচালনা সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। নওগাঁর বদলগাছীতে ধান বোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধার মৃত্যু পাবনায় আওয়ামী দোষর ছাত্রহত্যা মামলার আসামী পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ আশে পাশের অফিসগুলো নিয়ন্ত্রন করছেন রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ দুবাইতে গ্রেফতার  পাবনার আতাইকুলায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তের বাড়ি দোকানঘরে আগুন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন পাবনা  ঈশ্বরদীর ৬ জনসহ জেলার মাদকবিরোধী ও বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেপ্তার পাবনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালী লিফলেট বিতরণ পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রশিক্ষণ পেলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না: ভূমিমন্ত্রী মিনু

রংপুর কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারের অপসারণ সহ  সাংবাদিকদের নিরাপত্তা  নিশ্চিতের দাবি 

রংপুর কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারের অপসারণ সহ  সাংবাদিকদের নিরাপত্তা  নিশ্চিতের দাবি 

Reading Time: 2 minutes

সোহেল রশিদ, রংপুর:রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ সফিউর রহমানের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ। রংপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেছে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে)-এর সভাপতি ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার রংপুর ব্যুরো প্রধান সালেকুজ্জামান সালেক গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিউর রহমান-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার ২৬ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি লিয়াকত আলী বাদল। সঞ্চালনা করেন আরপিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদশাহ ওসমানী। ‎সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান, রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাহফুজ আলম প্রিন্স, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাদী, কাউনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, তারাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন লেবু, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য রিয়াদ ইসলাম, আকাশ রহমান, মোস্তাফিজার রহমান, আশরাফুল আলম আপন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল, টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বখতিয়ার রহমান, সাংবাদিক আব্দুল হালিম ডালিম, রংপুর অনলাইন অ্যাসোসিয়েশনের নেতা আকাশ চন্দ্র পাপ্পু, পীরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা তারাগঞ্জের সভাপতি খায়রুল আলম বিপ্লব, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।সমাবেশে জেলার আটটি উপজেলার সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, তারাগঞ্জ, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, হারাগাছ ও রংপুর সদর প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ শুধু নিন্দনীয়ই নয়, বরং তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা আরও বলেন, সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন তাদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।আরপিইউজের সহ সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ বলেন, আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি হয়রানি ও অসম্মানের শিকার হই, তাহলে সত্য তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ। সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী বলেন, সরকারি দায়িত্বে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় আমরা কোনো আপস করবো না। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল বলেন,এই ঘটনার সঠিক তদন্ত না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হবে। টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল বলেন, এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকরা রাজপথে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। সাংবাদিকরা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিতের দাবি জানান। তারা সতর্ক করে বলেন, দাবি পূরণ না হলে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Design & Developed BY Hostitbd.Com